

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অ্যান্টিবায়োটিকের অযথা ও অনিয়ম ব্যবহার পুরো পৃথিবীতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) বা জীবাণুর ওষুধ-প্রতিরোধী ক্ষমতা তৈরি করছে। এর ফলে সাধারণ সংক্রমণগুলোও হয়ে উঠছে মারাত্মক ও প্রাণঘাতী, যা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে।
অ্যান্টিবায়োটিকের ভুল ব্যবহারে ব্যাকটেরিয়ারা নিজেদের জিনগত পরিবর্তন করে ফেলে এবং ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফলে সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক আর তাদের মারতে পারে না, যাকে 'সুপারবাগ' বলা হয়।
সামান্য কাটা-ছেঁড়া, নিউমোনিয়া, মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) বা যক্ষ্মা (TB)-এর মতো সাধারণ রোগগুলো এই রেজিস্ট্যান্সের কারণে আরোগ্য করা কঠিন হয়ে পড়ে।
অ্যান্টিবায়োটিক কাজ না করলে রোগীকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হয়, অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও শক্তিশালী ওষুধ ব্যবহার করতে হয় এবং জটিল অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
গবাদিপশু ও মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য এবং রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাপক অপব্যবহার করা হয়। এটি পরবর্তীতে খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে ক্ষতিসাধন করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি মানুষের মৃত্যু হতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক ধস নামতে পারে।
