

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গরমে হিটস্ট্রোক এখন খুব সাধারণ একটি সমস্যা। তীব্র রোদে দীর্ঘসময় থাকলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে গিয়ে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।
অনেক সময় মানুষ না জেনে এমন কিছু ভুল করে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। তাই হিটস্ট্রোক হলে কী করবেন, তার পাশাপাশি কী করা যাবে না সেটাও জানা জরুরি।
নিচে এমন কিছু ভুল তুলে ধরা হলো, যেগুলো অতিরিক্ত গরমে এড়িয়ে চলা উচিত।
লক্ষণকে অবহেলা করা
মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা, ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া, তীব্র মাথাব্যথা, বমি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া হিটস্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখলে দেরি না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
অসুস্থ অবস্থায় রোদে থাকা
হিটস্ট্রোকের পরও অনেকেই রোদে থাকেন। এটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত ছায়াযুক্ত ও ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।
ভুল ধরনের পানীয় দেওয়া
এ সময় ক্যাফিন বা অ্যালকোহল দেওয়া ঠিক নয়। এতে শরীর আরও ডিহাইড্রেটেড হয়ে যেতে পারে। বরং ধীরে ধীরে ঠান্ডা পানি, ওআরএস বা ডাবের পানি খাওয়ানো ভালো।
নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া
অনেকে জ্বর ভেবে প্যারাসিটামল বা অন্য ওষুধ খেয়ে ফেলেন। কিন্তু হিটস্ট্রোকের ক্ষেত্রে এ ধরনের ওষুধ সবসময় কাজে আসে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া উচিত নয় এ সময়।
শরীর ঠান্ডা না করা
হিটস্ট্রোক হলে প্রথম কাজ হওয়া উচিত শরীরের তাপমাত্রা কমানো। ফ্যান চালানো, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছানো বা ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সরাসরি বরফ ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ভারী বা আঁটসাঁট পোশাক পরা
এই সময় ভারী কাপড় শরীরের তাপ শরীরেই আটকে রাখে। তাই হালকা, ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরানো উচিত, যাতে শরীর সহজে ঠান্ডা হতে পারে।
চিকিৎসা নিতে দেরি করা
হিটস্ট্রোকের পর জ্বর, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে দেরি করা বিপজ্জনক। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি।
সবশেষে বলা যায়, হিটস্ট্রোক একটি গুরুতর অবস্থা। তবে সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। তাই সচেতন থাকুন, নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় এই সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে চলুন।
মন্তব্য করুন
