

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাতে শোয়ার পর শরীরের হরমোনের পরিবর্তন, শুয়ে থাকার ভঙ্গি এবং চারপাশের পরিবেশের পার্থক্যের কারণে কিছু রোগের উপসর্গ বাড়ে। এর মধ্যে হাঁপানি বা অ্যাজমা, গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি, ত্বকের রোগ (যেমন- একজিমা), স্লিপ অ্যাপনিয়া এবং ঠান্ডা-কাশি অন্যতম।
রাতে যেসব রোগের উপসর্গ বাড়তে পারে ১. হাঁপানি বা অ্যাজমা: রাতে শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়ার কারণে কাশি, শ্বাসকষ্ট ও বুক চাপ লাগা বাড়তে পারে। অনেকের মাঝরাতে হাঁপানির অ্যাটাকও হয়। ২.সাইনাস ও অ্যালার্জি: রাতে নাক বন্ধ, হাঁচি বা কাশি বাড়ে। শোয়ার সময় শ্লেষ্মা জমে থাকায় সমস্যা বেশি অনুভূত হয়। ৩. আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথা: রাতে দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে থাকার কারণে জয়েন্ট শক্ত হয়ে ব্যথা বাড়তে পারে। ৪.গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটি: খাওয়ার পর শুয়ে পড়লে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপরে উঠে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর ও গলা জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে। ৫. হৃদ্রোগের কিছু উপসর্গ: কিছু মানুষের রাতে বুক ধড়ফড়, বুকব্যথা বা শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। বিশেষ করে হার্ট ফেইলিউর থাকলে শুয়ে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ৬. উদ্বেগ ও প্যানিক অ্যাটাক: রাতের নীরব পরিবেশে দুশ্চিন্তা বেশি অনুভূত হতে পারে। ফলে বুক ধড়ফড়, অস্থিরতা ও ঘুমের সমস্যা বাড়ে। ৭. ডায়াবেটিসের সমস্যা: রাতে রক্তে শর্করা কমে গেলে ঘাম, কাঁপুনি, দুর্বলতা বা অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। ৮. ত্বকের চুলকানি: একজিমা বা অ্যালার্জির চুলকানি রাতে বেশি হতে পারে, কারণ রাতে ত্বকের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ে।
সতর্ক হবেন কখন? যদি রাতে নিয়মিত— শ্বাসকষ্ট হয়, বুকব্যথা হয়, তীব্র কাশি থাকে, ঘুম ভেঙে যায়, অতিরিক্ত ঘাম বা মাথা ঘোরা হয়।
রাতে উপসর্গ কমাতে করণীয় ১. ঘুমানোর ২–৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন ২. অতিরিক্ত চা-কফি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন ৩. নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন ৪. বালিশ সামান্য উঁচু করে ঘুমান ৫. চিকিৎসকের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করুন
