

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নতুন অর্থবছরের এডিপিতে নতুন কোনো মেগা প্রকল্প নেয়নি সরকার। বরং অসমাপ্ত প্রকল্প শেষ করাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার।
বাজেটে এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত ১৫টি বড় প্রকল্পের জন্য মোট ৫৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ১৮ শতাংশ। এসব প্রকল্পের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
বরাদ্দের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প। আগামী অর্থবছরে এ প্রকল্পের জন্য ১৫ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৬৮ শতাংশের বেশি এবং ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে দেশের প্রথম পাতাল রেল প্রকল্প এমআরটি লাইন-১। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত এই রুটের জন্য রাখা হয়েছে ৭ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন ও বিভিন্ন ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলছে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালে চালুর লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বরাদ্দের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প। আগামী অর্থবছরে এর জন্য ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা চলতি বছরের তুলনায় চার গুণেরও বেশি। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্পটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।
অন্যদিকে হেমায়েতপুর-ভাটারা রুটের এমআরটি লাইন-৫ প্রকল্পে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ গুণ বাড়িয়ে এ প্রকল্পের জন্য ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া উত্তরা থেকে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারিত এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পেও বরাদ্দ বেড়েছে। আগামী অর্থবছরে এ খাতে রাখা হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। দ্রুত কমলাপুর পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
