

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জরুরি রোগীদের বিষয় বিবেচনায় আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে আগামীকাল (শনিবার) ই-মেইলের মাধ্যমে আপিল দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির।
শুক্রবার (১২ জুন) নিজের ফেসবুক একাউন্টে এক স্ট্যাটাসে এই তথ্য নিশ্চিত করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে শিশির মনির লেখেন, ‘আদ্ দ্বীন হাসপাতালের আইসিইউ, এনআইসিইউ এবং ডেলিভারি রোগীদের জরুরিয়াত বিবেচনায় আগামীকাল ই-মেইলের মাধ্যমে সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল দায়ের করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান চিঠি দিয়ে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত আদ-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ও স্বত্বাধিকারী ডা. সেখ মহিউদ্দীনকে জানিয়েছেন।
তবে শুক্রবার (১২ জুন) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী শিশির মনির দাবি করেছেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি কর্তৃপক্ষ। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স।
আইনজীবী শিশির মনির ফেসবুকে কিছু নথিপত্রের ছবি শেয়ার করে বলেন, হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি সরকারি কর্তৃপক্ষ। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স।
তিনি পোস্টে লেখেন, আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি। বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। এটা কি অবহেলা নাকি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত? যদি অবহেলা হয়ে থাকে, তাহলে কেমন ধরনের অবহেলা? আপনারাই বিবেচনা করবেন।
শিশির মনির লেখেন, দুটো লাইসেন্স আছে। একটি আদ-দীন হাসপাতালের জন্য। লাইসেন্সে লেখা আছে ‘to set up and run a hospital/clinic’ (কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হলো)। এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310058. অপরপক্ষে আরেকটি লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ ইস্যু করেছেন। সেখানে লিখা আছে ‘to set up and run a pathology Center’. এই লাইসেন্সের নম্বর HSM 4310059 (কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হলো)।
তিনি লেখেন, এখন আসেন কারণ দর্শানো নোটিশ কী বলে? কর্তৃপক্ষ ৪ জুন ২০২৬ তারিখ কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করে (কপি নিম্নে সংযুক্ত করা হলো)। উক্ত নোটিশে লাইসেন্স নম্বর HSM 4310059 উল্লেখ করেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলেন। জবার দাখিলের জন্য ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়। তারপর জবাব দায়ের করা হয়। অতঃপর গতকাল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এবং ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ দেওয়া হয় (সিদ্ধান্ত নিম্নে সংযুক্ত করা হলো)।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই আইনজীবী লেখেন, এখন আপনারাই বিচার করেন কী হলো। কোনটা বাতিল হলো? hospital/Clinic নাকি pathology Center? কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবেন। অবহেলা না কি ইচ্ছাকৃত? অবহেলা [Negligence] হলে কেমন ধরনের অবহেলা? বিচারের ভার আপনাদের উপর রইল।
