সোমবার
২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় বিয়ে করলেই সুখী হবেন! যা বলছে গবেষণা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ মে ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম বিয়ের নানান অভিজ্ঞতা অনেক সময় মানুষের জীবনবোধকে অনেক বেশি পরিপক্ব করে তোলে। আর এই পরিপক্বতাই মূলত দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে একটি বড় শক্তি হিসেবে কাজ করে।

‘হাফিংটন পোস্টে’র একটি প্রতিবেদন জানাচ্ছে, প্রথম দাম্পত্য জীবনের চড়াই-উতরাই থেকে মানুষ যে বাস্তবমুখী শিক্ষা পায়, তা পরবর্তী জীবনে ভুলভ্রান্তি এড়াতে দারুণ সাহায্য করে। নিজের চাওয়া-পাওয়া, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অতীতের ভুলগুলো নিয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকায়, মানুষ দ্বিতীয়বার যখন নতুন করে পথ চলা শুরু করে, তখন অনেক বেশি সচেতন থাকে।

মূলত অতীতের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে নতুনভাবে জীবন সাজানোর এই সুযোগের কারণেই দ্বিতীয় বিয়েতে সুখী হওয়ার সম্ভাবনা ও সফলতার হার তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।

দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ বা মান-অভিমান হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়, তবে সম্পর্কের সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে তা সামলানোর দক্ষতার ওপর। পূর্বের জীবনের অভিজ্ঞতা মানুষকে এমন এক পরিপক্বতা দেয়, যার ফলে সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে- এমন যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক বা বিরোধ থেকে তারা নিজেদের দূরে রাখতে পারেন।

এখানে জেদ বা অহংকার নয়, বরং সঙ্গীর দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রাধান্য দেওয়া এবং তাকে মন থেকে শ্রদ্ধা করাই আসল কথা। যখন কথা ও আচরণে এই সম্মানজনক মনোভাব প্রকাশ পায়, তখন সম্পর্কে এক গভীর বিশ্বাসের জায়গা তৈরি হয়। মূলত একে অপরের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধ ও আস্থাই একটি স্থায়ী এবং সুখী সম্পর্কের মজবুত ভিত্তি গড়ে তোলে।

হারানোর বেদনা থেকে মানুষ অনেক সময় জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যগুলো উপলব্ধি করতে পারে। প্রথম দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি একজন মানুষকে বুঝিয়ে দেয় জীবনে একটি বিশ্বস্ত হাত এবং একজন সঙ্গীর উপস্থিতি কতটা মূল্যবান।

এই গভীর অনুভূতির কারণেই দ্বিতীয় স্ত্রীর সাথে মানসিক ও আত্মিক যোগাযোগটা অনেক বেশি নিবিড় ও আন্তরিক হয়, এবং নতুন সঙ্গীকে আপন করে নেওয়ার আকুলতা ও তার প্রতি নির্ভরতা বহুগুণ বেড়ে যায়।

এর পাশাপাশি, সময়ের সাথে অর্জিত অভিজ্ঞতা মানুষকে সম্পর্কের ব্যাপারে অনেক বেশি পরিপক্ব করে তোলে। নিজের ভালো লাগা, মন্দ লাগা বা চাওয়া-পাওয়াগুলো নিয়ে মনে কোনো অস্পষ্টতা থাকে না।

ফলে, কোনো রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই নতুন সঙ্গীর কাছে নিজের মনের কথা ও প্রত্যাশাগুলো খোলামেলাভাবে প্রকাশ করা সম্ভব হয়, যা সম্পর্ককে আরও সহজ ও টেকসই করে তোলে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন