

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্যস্ত জীবনে অফিস আর রান্নাঘরের ব্যালেন্স করা যেন এক মহাযুদ্ধ। তবে একটু স্মার্ট আর প্ল্যানমাফিক চললে এই যুদ্ধ জয় করা সম্ভব। রান্নাঘরের ক্লান্তি কমিয়ে ঝটপট রান্নার ৫টি জাদুকরী কৌশল এখানে দেওয়া হলো:
১. রান্নার আগের 'প্রিপারেশন'
রান্নার মূল সময়টা কাটে কাটাকুটি আর মশলা পেষায়। ছুটির দিনে বা আগের রাতেই আদা-রসুন বাটা, পেঁয়াজ কুচি কিংবা সবজি কেটে এয়ারটাইট বক্সে রেখে দিন। মশলা বাটার সময় সামান্য নুন আর সাদা তেল মিশিয়ে রাখলে পুরো সপ্তাহ চমৎকার তাজা থাকবে।
২. মাইক্রোওয়েভ ও প্রেশার কুকারের ম্যাজিক
সবজি বা আলু সেদ্ধ হতে যে সময় লাগে, তা অর্ধেক করে ফেলতে পারেন মাইক্রোওয়েভ বা প্রেশার কুকার ব্যবহার করে। তরকারিতে দেওয়ার আগে আলু বা শক্ত সবজিগুলো সামান্য নুন-জল দিয়ে ভাপিয়ে নিন। সময় ও গ্যাস—দুই-ই বাঁচবে।
৩. 'লেফটওভার' দিয়ে নতুন খাবার
আগের দিনের বেঁচে যাওয়া খাবার ফেলে না দিয়ে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে নতুন টুইস্ট দিন। বেঁচে যাওয়া মাংসের টুকরো দিয়ে স্যান্ডউইচ, পাস্তা কিংবা ঝটপট চিকেন ভর্তা বানিয়ে ফেলুন। এতে পুষ্টিও বজায় থাকে, সময়ও বাঁচে।
৪. ওয়ান-পট মিল (One-Pot Meal)
রোজ রোজ পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধার সময় কই? যেদিন অফিসে যাওয়ার তাড়া বেশি, সেদিন বেছে নিন ‘ওয়ান-পট মিল’। প্রেশার কুকারে সবজি খিচুড়ি, তেহারি, পোলাও বা ওয়ান-পট পাস্তা বানিয়ে নিন। পুষ্টি, স্বাদ আর অল্প পরিশ্রমে পেট ভরা—একসাথেই সব কেল্লাফতে!
৫. সাজানো রান্নাঘর, দ্রুত কাজ
রান্না শুরুর আগে কাউন্টার টপ পরিষ্কার রাখুন। মশলা, তেল ও প্রয়োজনীয় বাসনপত্র হাতের কাছে গুছিয়ে রাখলে খোঁজাখুঁজিতে সময় নষ্ট হয় না। গোছানো রান্নাঘর কাজের গতি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়।
