

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বনভূমি ও আবাসস্থল হারানোর কারণে বিশ্বের বৃহত্তম স্থলচর প্রাণী হাতি আজ অস্তিত্ব সংকটে। প্রতিবছর ১২ আগস্ট পালিত 'বিশ্ব হাতি দিবস'-এর মূল লক্ষ্যই হলো এই সুবিশাল প্রাণীর সুরক্ষায় বৈশ্বিক সচেতনতা গড়ে তোলা এবং হাতি সংরক্ষণের গুরুত্বকে সার্বজনীন করে তোলা।
কানাডীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা প্যাট্রিসিয়া সিমস, মাইকেল ক্লার্ক এবং থাইল্যান্ডের 'এলিফ্যান্ট রি-ইন্ট্রোডাকশন ফাউন্ডেশন'-এর যৌথ উদ্যোগে ২০১২ সালে প্রথম শুরু হয় বিশ্ব হাতি দিবস পালন।
সেদিন মুক্তি পাওয়া 'রিটার্ন টু দ্য ফরেস্ট' নামে একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বন্দিদশা থেকে হাতিকে বনে ফেরানোর গল্প বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, যা পরিবেশকর্মীদের নতুন গতি যোগায়।
আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন (IUCN)-এর তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত ১০০ বছরে এশীয় হাতির সংখ্যা কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। অবাধে বন উজাড়, অবৈধভাবে গজদন্ত শিকার এবং মানব-হাতি সংঘাতের ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হাতিদের স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্র আজ চরম হুমকির মুখে।
বাংলাদেশের চিত্রটিও বেশ উদ্বেগের, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বনাঞ্চলে খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের তীব্র সংকট চলছে।
বিপুল জনসংখ্যার চাপ এবং সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা বসতি গড়ে ওঠায় হাতির প্রাকৃতিক করিডোরগুলো অবরুদ্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে সংঘাত ও প্রাণহানির ঝুঁকি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

