

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু রহস্য নিয়ে তিন দশক পরও কৌতূহল ও বিতর্কের শেষ হয়নি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার নিউ ইস্কাটনের বাসায় রহস্যজনক অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাদীর বোন নিলুফা জামান চৌধুরী নীলা চৌধুরী, বাদীর বোন জামাতা মৃত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তার ছোট ছেলে শাহরান শাহ্ সহ নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় তার ভাগিনা চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন সালমান শাহ’র সাথে দেখা করতে যান।
স্বজনরা তার বাসায় গেলে স্ত্রী সামীরা হক ও বাসার কর্মচারী জানান, সালমান সাহ ঘুমিয়ে আছেন। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসা থেকে ফোন করে জানানো হয়, সালমান শাহর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। দ্রুত সেখানে পৌঁছে পরিবারের সদস্যরা তাকে শয়নকক্ষের খাটে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে তাকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) মাজারসংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় সেদিনই রমনা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
দীর্ঘ ৩০ বছর পর সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আদালত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মরদেহ উত্তোলনের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং পুনরায় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে।
