

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সঞ্জয় লীলা বানসালি 'রামলীলা' চলচ্চিত্রে দীপিকা পাড়ুকোনের অনবদ্য অভিনয় আজও সিনেপ্রেমীদের মনে গেঁথে আছে। তবে লীলা চরিত্রটিকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলতে দীপিকাকে কতটা চ্যালেঞ্জিং প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল, সেই অজানা গল্প সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী জয়তী ভাটিয়া।
চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে দীপিকার ভেতরের জড়তা সম্পূর্ণ কাটিয়ে তুলতে বানশালির টিমের পক্ষ থেকে জয়তী ভাটিয়াকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। চরিত্রের সাথে একাত্ম হওয়ার জন্য তিনি দীপিকাকে একটি ভিন্নধর্মী অনুশীলনের মুখোমুখি দাঁড় করান।
বানসালির অফিসের বারান্দার নিচে এক খাবার বিক্রেতা বসতেন। জয়তী দীপিকাকে নির্দেশ দেন সেই বারান্দায় দাঁড়িয়ে কোনো দ্বিধা ছাড়া উচ্চকণ্ঠে গালিগালাজ করতে, যেন নিচের কাউকে উদ্দেশ্য করেই কথাগুলো বলা হচ্ছে।
জয়তীর এই নির্দেশ শুনে দীপিকা বিন্দুমাত্র ইতস্তত করেননি। এমনকি চিত্রনাট্যে যেখানে থামার কথা ছিল, চরিত্রটির গভীরে ঢুকে যাওয়ায় দীপিকা সেখানেও থামেননি। নিজের মতো করে আরও নানা সংলাপ ও অপ্রচলিত গালিগালাজ যুক্ত করে একটানা চিৎকার করতে থাকেন, যা দেখে জয়তী নিজেও অবাক হয়ে যান।
ততদিনে দীপিকা পাডুকোন বলিউডের একজন প্রতিষ্ঠিত তারকা। তবুও লোকলজ্জা বা সামাজিক সংকোচের তোয়াক্কা না করে একটি চরিত্রের প্রয়োজনে প্রকাশ্য জায়গায় নিজেকে এভাবে উজার করে দেওয়া- এক বিরল নিবেদনেরই পরিচয় দেয়। কাজের প্রতি সেই অকৃত্রিম নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সুফলই দর্শকরা পেয়েছেন 'রামলীলা'য় দীপিকার কালজয়ী অভিনয়ে।