

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারের মৃত্যুকে ঘিরে চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ। তিনি দাবি করেছেন, শুরু থেকেই চিকিৎসায় বিলম্ব ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে কায়সার হামিদ জানান, মেয়েকে চেন্নাই নেওয়ার পর সেখানকার চিকিৎসকরা কিছুটা ভুল চিকিৎসা ও দেরি করে ফেলার কথা জানান। এ সময় কায়সার হামিদ এভারকেয়ার হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগও তোলেন।
কায়সার হামিদ বলেন, এখানে দুইটা ভুল ছিল। নম্বর ওয়ান ভুল ট্রিটমেন্ট হইছে। কারিনার যে লিভার ড্যামেজ ও হেপাটাইসিস মারাত্মক অবনতি, সেটা তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি। জানলে সেই সময় দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থা করা যেত।
এ ছাড়াও কায়সার হামিদ অভিযোগ করেন, লিভারের এই ট্রান্সপ্লান্ট সিস্টেম বা সেটআপ যে বাংলাদেশে নেই, সেটাও তাকে জানানো হয়নি। বিষয়টি প্রথমেই এখানকার ডাক্তারদের বলা উচিত ছিল।
বাংলাদেশে যে এই চিকিৎসা সম্ভব নয় তা যদি আগে জানানো হতো, তাহলে কারিনাকে আরও আগেই ভারতে নেওয়া যেত বলে জানান বাবা কায়সার হামিদ।
অভিযোগে কায়সার হামিদ বলেন, প্রাথমিক চিকিৎসার মতো করে এভারকোয়ারের মতো হাসপাতাল ডে বাই ডে এরকম করে চালিয়ে গেছে। সেখানে ইনফেকশন হয়ে গেলে কারিনাকে ভারত নেওয়া হয়।
বড় ভাই বিদেশ থেকে আসার পর এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান কারিনার বাবা।
উল্লেখ্য, কারিনা কায়সার লিভারজনিত জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত শুক্রবার (১৫ মে) ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়।
