শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নিয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে: ঢাবি ভিসি

ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:০০ পিএম আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:০৫ পিএম
ডাকসু নিয়ে কথা বলছে ঢাবি ভিসি
expand
ডাকসু নিয়ে কথা বলছে ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডাকসু নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,“আগামীকাল বহুল প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন। ১১ মাসের দীর্ঘ প্রস্তুতি, হাজারো শিক্ষার্থীর আকাঙ্ক্ষা আর নানা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমরা আজ চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি। ডাকসুকে ঘিরে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রক্টরিয়াল টিম, বিএনসিসি, ভলান্টিয়ার টিমসহ সবাই মাঠে রয়েছে। তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।”

ভিসি বলেন, তিনটি কারণে এবারের ডাকসু নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমত, এটি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি, যা ধীরে ধীরে জাতীয় দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্বিতীয়ত, গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ডাকসুর সক্রিয়তা সরাসরি সম্পর্কিত। তৃতীয়ত, এই নির্বাচন বিভিন্ন অংশীজনকে একত্রিত করেছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করেছে।

তিনি আরও জানান, এবারের ডাকসু নির্বাচন নানা দিক থেকে ব্যতিক্রমী। প্রথমবারের মতো চল্লিশ হাজার শিক্ষার্থী একসঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এবার বুথের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১০-এ, যেখানে অতীতে ছিল মাত্র ২০০ থেকে ২৫০টি বুথ। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন। একইসঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই এবার দায়িত্বে আছেন সর্বজনস্বীকৃত গ্রহণযোগ্য শিক্ষকেরা।

এছাড়া প্রার্থীদের নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে বিতর্কের আয়োজন করা হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রের ফলাফল গণনার সময় সরাসরি ডিসপ্লেতে দেখানো হবে বলেও জানান তিনি।

প্রার্থীদের উদ্দেশে ভিসি বলেন, “ডাকসু একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। স্বাধীনতার পর থেকে মাত্র আটবার এই নির্বাচন হয়েছে। অনেক প্রশাসন এমন আয়োজন করতে আগ্রহী থাকে না। কিন্তু আপনারা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জিতুন বা হারুন, সেটিই হবে আপনাদের বড় অবদান। তাই একে অপরের প্রতি সহনশীল হোন। হার-জিত যাই হোক, আমাদের মধ্যে এমন কিছু নেই যাতে বড় কোনো সংঘাত তৈরি হয়। যদি তবুও কেউ আইন ভঙ্গ করে, তবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন