

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সারাদেশে নির্বাচনী পরিবেশ জমে উঠেছে পুরোদমে।
শেষের দিকের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন প্রার্থীরা, ভোটারদের দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রুতি। এবারের নির্বাচনে যে কয়েকটি আসন আলোচনায় রয়েছে, তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ঢাকা-৮। আসনটিতে ১১টি রাজনৈতিক দলের ১১জন প্রার্থী থাকলেও বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বাকযুদ্ধ যেনো সবাইকেই ছাড়িয়ে গেছে।
প্রতিদিন ফেসবুক-ইউটিউবের মতন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তো বটেই পত্রিকা-টেলিভিশনেও প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে দেখা যায় এই দুই প্রার্থীকে।
তবে এবার ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা হচ্ছে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়কে।
দুদকের মূল ফটকের পাশে ও মূল দেয়ালে টানানো হয়েছে উভয় প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টার। ঢাকা-৮ আসন জুড়ে পক্ষে-বিপক্ষে প্রচুর আলোচনা-সমালোচনা করলেও দুদকের দেয়ালে দু'জনের পোস্টার টানানো হয়েছে মিল করে। দেখা যায়, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর শাপলা কলি ও মির্জা আব্বাসের ধানের শীষ প্রতীক গায়ে জড়িয়ে ভোটারদের বার্তা দিচ্ছে প্রার্থীর পক্ষে!
এবার লিফলেট, পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইন ও নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী সরকারি দেওয়াল, স্থাপনা, বা কোনো সরকারি যানবাহনে নির্বাচনী পোস্টার, ব্যানার বা লিফলেট লাগানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।
প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার বা অপচনশীল দ্রব্য, যেমন- পলিথিন, প্লাস্টিক বা রেক্সিন ব্যবহার করা যাবে না। দেয়াল, গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো যানবাহনে লিফলেট বা ফেস্টুন সাঁটানো নিষিদ্ধ।
এ বিষয়ে এনপিবি নিউজ যোগাযোগ করে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
পরে মুঠোফোনে এনপিবি নিউজকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি দেখভালের দায়িত্বে থাকা ঢাকা-৮ আসনের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হবে।
এদিকে, দুদকের মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের পাশে ও দেয়ালে রাজনৈতিক দলের ব্যানার-ফেস্টুন টানানোর বিষয়ে সংস্থাটির কাছে জানতে চাওয়া হলেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দুদক কর্মকর্তা বলেন, পুরো বিষয়টি দেখবে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের, এখানে দুদকের কিছু করার নেই।
মন্তব্য করুন

