

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাহ শিশিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম মিয়া তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে বেলা পৌনে ১টার দিকে শাহবাগ থানার ওসি মো. খালিদ মনসুর জানান, লাভলুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় লাভলুর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেই মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, সোমবার শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার পর লাভলু তার ফেসবুকে শেখ হাসিনার ছবিযুক্ত একটি গ্রাফিক্স পোস্ট করেন, যেখানে লেখা ছিল, জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, আই ডোন্ট কেয়ার।
এই পোস্টকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে কিছু শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম তার বাসায় গেলে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আলামিন। লাভলুর পক্ষে আইনজীবী জি.এম কাওসার-উল ইসলাম সোহেলসহ আরও কয়েকজন জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
আইনজীবীরা জানান, যেহেতু রিমান্ড চাওয়া হয়নি, তাই তাকে এজলাসে তোলাও হয়নি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৩১ মে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে শাহবাগের পরীবাগ এলাকায় কার্যক্রমে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ মিছিল করে। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় এবং পুলিশ উপস্থিত হয়ে গেলে পালিয়ে যায়।
পরদিন ১ জুন এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া শাহবাগ থানায় মামলা করেন, যেখানে লাভলু মোল্লাহও আসামি হিসেবে নাম রয়েছে।
এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১ সোমবার এ রায় ঘোষণা করে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল একই সাজা পেয়েছেন। রাজসাক্ষী হওয়ায় পুলিশের সাবেক প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে দেওয়া হয়েছে ৫ বছরের লঘুদণ্ড।
মন্তব্য করুন
