

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাবি প্রতিনিধি: কার কি পরিমান কর্মী বাহিনী মাঠে নামতেছে,কার পেছনে কি পরিমান মিডিয়া হাঁটছে এগুলো না দেখে কারা আপনাদের জন্য বিগত সময়ে কাজ করেছে কারা নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে আপনাদের( শিক্ষার্থীদের) এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে তাদের কে ভোট দিন।
আমার কোনো দলীয় এজেন্ডা নাই মাদার পার্টি নাই আমরা নির্বাচিত হলে ডাকসুর মাধ্যমেই আমরা ছাত্র রাজনীতির নতুন কাঠামো হাজির করবো বলে অঙ্গীকার করেন সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ মনোনীত ভিপি প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন খালিদ।
আজ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে ডাকসু নির্বাচনকে ঘিরে উদ্ভুত পরিস্থিতির সার্বিক মূল্যায়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
খালিদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যূত্থান একক কোনো গোষ্ঠীর নয় যদি কেউ এটার নায়ক হয়ে থাকেন তাহলে এটা তার গৌরবের বিষয় । আমরা চাই এটাকে পুঁজি করে আওয়ামীলীগের মতো করে কেউ যেনো শিক্ষার্থীদের সহানুভূতি অর্জন করার চেষ্টা না করে।
তিনি বলেন , কারো কাছে আমাদের চটকদার ইশতেহার নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নাই। আমরা ডাকসু আন্দোলনে ছিলাম, রেজিষ্টার বিল্ডিং নিয়ে, নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে, বেবি কেয়ার সেন্টার নিয়ে কাজ করতেছি এবং এটা চলমান আছে।
এছাড়াও তিনি বলেন, আমরা তো নতুন করে উঠে আসিনি বরং অনেক ভিপি প্রার্থী আছে যাদেরকে আমরা ৫ ই আগস্টের আগে চিনতাম ই না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিএস পদে আর কাউকে সমর্থন দেওয়ার কথা আমরা ভাবিনি, সবথেকে বড় কথা আমরা সমর্থন দেওয়ার কে? আমরা সমর্থন দিলেই তো আর জিতবে না সে। এই সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদেরকে খাওয়ানো প্রসঙ্গে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বাগছাস ছাড়াও স্বতন্ত্র কিছু প্রার্থীরাও এতে জড়িত আছেন বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, এগুলো তো ওপেন সিক্রেট এবং এক্ষেত্রে প্রশাসন সম্পূর্ণরূপে অবগত হওয়ার পরেও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী ফাতেহা শারমিন এ্যানি বলেন, লেজুড়বৃত্তির প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমরা আসিনি, কিসের মাদার পার্টি, কিসের লন্ডনের প্রেসক্রিপশন ,আমরা মাঠে লড়াই করে করে উঠে এসেছি, দলীয় লেজুড়বৃত্তির বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে এসেছি।
মন্তব্য করুন

