

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)-এর যুব শাখা, কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)-এর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে সভাপতি হয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জোবাইর হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাহীম।
রবিবার (৫ জুলাই) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সুলতান মাহমুদের অনুমোদনে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক বছরের জন্য ২০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও মুরাদুল হাসান আদনান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারহা খানম ও জুনাইদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বায়েজিদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মারুফুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান রোহান, অর্থ সম্পাদক সাবেদ মো. জুনাঈদ, ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সম্পাদক মো. তানভীর হাসান, প্রচার সম্পাদক মংক্যএ মার্মা, ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক মুকুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা রিমি এবং কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইউনুস সুজন, শিপন খান, বি. এম. ফয়সাল, নাঈমুর রহমান, আরজু খান ও ইব্রাহীম।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধিতে নতুন কমিটি কাজ করবে।
এ বিষয়ে নবনিযুক্ত সভাপতি মোহাম্মদ জোবাইর হোসাইন বলেন, “ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা কেবল একটি আইনি অধিকার নয়, এটি সুশাসন, ন্যায্য বাজারব্যবস্থা এবং টেকসই উন্নয়নের একটি অপরিহার্য ভিত্তি। কনজিউমার্স ইয়ুথ বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোক্তা অধিকার, নৈতিক মূল্যবোধ, দায়িত্বশীল ভোগ আচরণ এবং নাগরিক সচেতনতা বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, সচেতন ও দায়িত্বশীল তরুণদের নেতৃত্বেই একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, নিরাপদ ও ভোক্তাবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।”
উল্লেখ্য, ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) ২০১৩ সাল থেকে দেশে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে আসছে। বর্তমানে সংগঠনটি দেশের ৬৪টি জেলা, ৩৫০টি থানা এবং ৭৯টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই লক্ষাধিক স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।