

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দায়িত্ব হস্তান্তর ও যোগদানের দিনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নতুন উপাচার্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। একই সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদায়ী উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সহযোগিতার প্রত্যাশা জানিয়েছেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী।
নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে এখানে দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন, এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। প্রফেসর ড. ইসমাইল আমার দীর্ঘদিনের কলিগ। তিনি এখানে বিশেষ সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জায়গায় আমাকে দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমি আজ এই দায়িত্ব গ্রহণ করলাম। আগের অনেক বিষয় পেছনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে চাই। বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর ড. ইসমাইল যেভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে সুসংগঠিত করেছেন এবং যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেখান থেকে আমি চেষ্টা করব শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা এবং র্যাঙ্কিং—সব ক্ষেত্রেই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে।”
বিদায়ী উপাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ড. ইসমাইল যে অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় রেখে যাচ্ছেন, সেখান থেকে আমি এটিকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। পাশাপাশি আমি তাকে অনুরোধ করবো, তিনি যেন সর্বাত্মকভাবে আমাকে সহযোগিতা করেন। আমরা দীর্ঘদিনের পরিচিত ও সহকর্মী। প্রয়োজন হলে আমি তার সহযোগিতা চাইবো।”
অন্যদিকে বিদায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল নতুন উপাচার্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “নতুন উপাচার্যকে নোবিপ্রবিতে স্বাগত জানাই। আমি তাকে আমার বাসায়ও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে একসাথে কাজ করেছি, আমরা সহকর্মী।”
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, নতুন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সামনে এগিয়ে নেবেন। গবেষণা, র্যাঙ্কিং, শিক্ষার মান এবং অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আমরা যে লক্ষ্য নিয়েছিলাম—দেশের শীর্ষ পাঁচে এবং বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৫০০-এর মধ্যে নোবিপ্রবিকে নিয়ে যাওয়ার—সেই যাত্রা তিনি আরও এগিয়ে নেবেন বলে আশা করি।”
বিদায়ী উপাচার্য আরও বলেন, “আমি আশা করি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখবেন এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে।”