

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) নিয়ে নতুন করে নীতিগত অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। আগামী বাজেটকে কেন্দ্র করেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে,আগামী ৭ জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। আর এই বাজেটেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় ‘সারপ্রাইজ’ হিসেবে আসতে পারে নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা ও প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দ।
সূত্রগুলো বলছে, নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সম্ভাব্য কাঠামো ও আর্থিক প্রভাব নিয়ে কাজ শুরু করেছে। প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি সম্ভাব্য বরাদ্দের হিসাবও প্রাথমিকভাবে বিবেচনায় রয়েছে। তবে দেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, রাজস্ব আয় এবং ব্যয়ের ভারসাম্য বিবেচনায় নিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছে সরকার।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, একযোগে সম্পূর্ণ পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করার দিকে ঝুঁকছে নীতিনির্ধারকরা। প্রাথমিক ধাপে মূল বেতনে সীমিত হারে সমন্বয় আনা হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ভাতা, সুবিধা এবং অন্যান্য আর্থিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হবে। এতে করে সরকারি ব্যয়ের ওপর এককালে বড় চাপ না পড়ে ধীরে ধীরে সমন্বয় সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
