

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারের দেওয়া নতুন ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতার প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি আন্দোলনের দাবি পূরণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
রোববার (১৯ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাড়িভাড়া ভাতা ৫ শতাংশ বা ন্যূনতম ২ হাজার টাকা বৃদ্ধির নির্দেশনা দিয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। তবে এর কিছুক্ষণ পরই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী এক প্রতিক্রিয়ায় এ সিদ্ধান্তকে "আংশিক স্বীকৃতি" হিসেবে আখ্যা দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা আন্দোলনের একটি প্রাথমিক ফল, কিন্তু আমাদের প্রকৃত দাবি পূরণ হয়নি। যতক্ষণ না পর্যন্ত ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা বাস্তবায়নের আদেশ জারি হবে, ততক্ষণ আমাদের কর্মসূচি চলবে।
জাতীয় শহীদ মিনারে টানা ৮ম দিনের মতো অবস্থান ও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। একইসঙ্গে তারা ঘোষণা দিয়েছেন, রোববার দুপুর ১২টায় শিক্ষাভবনের উদ্দেশে 'ভুখা মিছিল' করবেন।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দাবিগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই আন্দোলন থামবে না।
অর্থ বিভাগের উপসচিব মিতু মরিয়ম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে, তবে সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এ আদেশ ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
তবে এই আদেশের সঙ্গে ৬টি শর্ত সংযুক্ত রয়েছে, যা আদেশ কার্যকরে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীরা বলছেন, তাদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার কেবলমাত্র একটি অংশিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ফলে তারা সরকারকে পূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের সময়সীমা না দিয়ে আন্দোলনের তীব্রতা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন।
মন্তব্য করুন
