বৃহস্পতিবার
২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেদিন মেয়ের সঙ্গে কী ঘটেছিল, জানালেন রামিসার মা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে ছোট্র শিশু রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তার মা পারভীন আক্তার বললেন, আমি একটা চিৎকার শুনেছি, সেটা যে ওর (রামিসা) ছিল তা বুঝতে পারিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে রামিসার মা বলেন, আমি রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ওকে বলছিলাম, দাঁত ব্রাশ করে মুখ ধুয়ে স্কুল ড্রেস পরতে। এরপর ও পাশের রুমে যায় দাঁত ব্রাশ করতে।

তিনি জানান, রামিসার বড় বোন তখন চাচার বাসায় যাচ্ছিল। রামিসাও তার পেছনে যেতে চাইলে বড় বোন তাকে বাসায় থাকতে বলে। তখন রামিসা দরজার ভেতরেই ছিল। পরে দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই ওকে টান দিয়ে নিয়ে যায়।

পারভীন আক্তার বলেন, ঘটনার পর সেখানে একটা জুতা ছিল, আরেকটা ছিল না। এরপর দেখি ওর বড় বোন চাচার বাসা থেকে একাই আসছে। তখন আমার সন্দেহ হলো, আমি একটা চিৎকারও শুনেছি। কিন্তু বুঝতে পারি নাই, ওই চিৎকার রামিসার ছিল। ভাবছিলাম পাশের ফ্ল্যাটের অন্য কোনো বাচ্চার চিৎকার।

তিনি জানান, সন্দেহ হওয়ার পরই দরজায় বারবার ধাক্কা দেওয়া হয়, তবে কেউ দরজা খোলেনি। তবে, অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের কখনও তেমন পরিচয় বা কথা হয়নি।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় রামিসাদের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন