

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রেল যোগাযোগ উন্নয়নে নতুন বিকল্প খুঁজছে বাংলাদেশ। তুলনামূলক কম দামে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী রেলকোচ সরবরাহের প্রস্তাব পাওয়ায় পাকিস্তানের রোলিং স্টক কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি দুই সদস্যের একটি বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের বিভিন্ন রেল কারখানা ও ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছে।
পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি কর্মকর্তারা ইসলামাবাদের ক্যারেজ ফ্যাক্টরি ও লাহোরের মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছেন। তারা সরেজমিনে রোলিং স্টক তৈরির প্রক্রিয়া দেখেন এবং পাকিস্তান রেলওয়ের কারিগরি সক্ষমতা ও চলমান প্রকল্পের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এসময় বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলকে পাকিস্তান রেলওয়ের চিফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ নাসির খলিলি ওয়ার্কশপগুলোর কার্যকারিতা, কর্মদক্ষতা এবং চলমান প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন বলে জানা গেছে।
খলিলি বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রয়েছে। বিশেষ করে রেল খাতে আমাদের সহযোগিতার সম্ভাবনা ব্যাপক।’
পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী হানিফ আব্বাসি দুই দেশের মধ্যে রেলওয়ে-টু-রেলওয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘এই ধরনের সহযোগিতা উভয় দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য সুফল বয়ে আনবে।’
প্রতিবেদনে দ্য ডন জানিয়েছে, ৯৮০-এর দশকে পাকিস্তান রেলওয়ে বাংলাদেশে রোলিং স্টক রপ্তানি করেছিল। এছাড়া ১৯৯৯, ২০০০ ও ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কায় পণ্যবাহী ওয়াগন সরবরাহ করেছে পাকিস্তান। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলনামূলকভাবে কম খরচে কোচ ও ওয়াগন সরবরাহের কারণে পাকিস্তান বাংলাদেশের জন্য একটি উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পাকিস্তান রেলওয়ে ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা, নেপাল, চিলি ও আর্জেন্টিনায় কোচ ও ওয়াগন সরবরাহ করছে। খলিলি জানান, পরবর্তী ধাপে বাংলাদেশি রেল বিশেষজ্ঞরাও পাকিস্তান সফর করবেন বিস্তারিত কারিগরি মূল্যায়নের জন্য।
মন্তব্য করুন
