

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ ৪৪ মাস পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (বিপিএম৬) পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। ২০২২ সালের শুরুতে রিজার্ভ ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি থাকলেও পরবর্তী সময়ে তা নেমে আসে ২০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। এরপর প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় প্রবাহ, আমদানি ব্যবস্থাপনায় কড়াকড়ি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ঋণ সহায়তার ফলে রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, সর্বশেষ ৩৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ ছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ৪৪ মাস পর রিজার্ভের ৩৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করা দেশের বৈদেশিক খাতের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। তবে রিজার্ভের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত রাখা এবং বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গ্রস রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে হিসাব করা বিপিএম৬ রিজার্ভ ৩১ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে অবস্থান করছে, যা দেশের প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চিত্র তুলে ধরে।