সোমবার
১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ, হাসপাতালে মৃত্যু

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের হাসপাতালে মৃত্যু
expand
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের হাসপাতালে মৃত্যু

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৈশাসিক নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়ে দুই সন্তানের জননী মোর্শেদা আক্তার (৩৫) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের দরানিপাড়া এলাকায়। রোববার (২৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর থানা পুলিশ।

মোর্শেদা আক্তার উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের দরানিপাড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী সাইদুল ইসলামের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার ২২ জুলাই মোরশেদা আক্তার তার ১২/১৩ বছরের ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন। রাতে প্রতিবেশী তোতা মিয়ার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আরিফ নামের এক যুবক জোরপূর্বক তার ঘরে প্রবেশ করে।

ঘরে প্রবেশ করেই আরিফ মোর্শেদাকে মারধর এবং পরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর নানা বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বড় ছেলে মাহিম বাড়িতে আসে। গুরুতর অবস্থায় বড় ছেলে মাহিম ও পরিবারের লোকজন মোর্শেদাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় । সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নির্যাতন ও ধর্ষণের বর্ণনা দিয়েছেন ভুক্তভোগী মোর্শেদা আক্তার।

এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত আরিফ পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে মোর্শেদার মরদেহ তার বাবার বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর সূত্রাপুর এলাকায় নিয়ে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে স্ত্রীর খবর পেয়ে শুক্রবার মালয়েশিয়া থেকে দেশে এসেছেন সাইদুল ইসলাম। তিনি এব্যাপারে আরিফকে একমাত্র আসামী করে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লোকমান হোসেন বলেন, মোর্শেদার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে তস্তান্তর করা হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরিফকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank