

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পরকিয়া প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের পরই দ্বন্দ্ব, এক পর্যায়ে প্রেমিকের হাতেই নির্মমভাবে খুন হয়েছিলেন নাহিদা সুলতানা (২৫) নামে এক গৃহবধু।
নিহত লাবনী উপজেলার সলঙ্গা থানার ধুবিল কাটার মহল গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম রিগ্যানের স্ত্রী।
এ দিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর লাবনী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রেমিক মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মিলন বড় গোজা গ্রামের বাসিন্দা। এ সময় তার কাছ থেকে লাবনীর ৪ ভরি সোনার গহনাও উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লাবনীর সঙ্গে মিলনের অনেক আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে ৮ বছর আগে ধুবিল কাটারমহল গ্রামের রিগ্যানের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় লাবনীর। তাদের দুই সন্তানও জন্ম নেয়। কিন্তু বিয়ের পরও মিলনের সঙ্গে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকে লাবনী। গত ২৯ নভেম্বর বিকেলে রিগ্যান বাড়িতে না থাকার সুযোগে মিলনকে ফোন করে ডেকে আনে লাবনী। মিলন এলে বাড়িতে থাকা তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে কৌশলে কেনাকাটার জন্য বাজারে পাঠিয়ে দেন। এরপর উভয়ে শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয়। এ সময় মিলনের মোবাইলে একটি ফোন এলে বাড়ি ফিরতে চান তিনি। কিন্তু লাবনী তাকে ফিরে যেতে বাঁধা দেন। সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঝগড়া চলে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে মিলন লাবনীর গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। এরপর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মিলন। ভোররাতে লাবনীর ভাগ্নী বিষয়টি লাবনীর বাবাকে জানায়। খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় লাবনীর বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির বলেন, ২৯ নভেম্বর ভোররাতে নিজ বাড়ি থেকে লাবনীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে এই ঘটনায় ইউডি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের পর ওইদিনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মিলন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর রোববার (৩০ নভেম্বর) আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে ঘটনার দায় স্বীকার করেন মিলন হোসেন।
মন্তব্য করুন
