

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় খ্যাপাটে কুকুরের কামড়ে অন্তত ৩২ জন পথচারী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পথচারীদের ওপর হামলা চালায় কুকুরটি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল থেকে নতুন বাজার, রাজাখালী, থানাব্রীজ, পীরতলা বাজার, জলিশা, আনন্দ বাজার, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) ক্যাম্পাস এবং গ্রামীণ ব্যাংক সড়ক এলাকায় দৌড়ে গিয়ে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়াতে থাকে কুকুরটি। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন—আব্দুল্লাহ (১৯), তানিয়া (৩), উজ্জ্বল (২৫), ইউসুফ (৩২), মাহিনুর বেগম (৩৮), মফিজুর রহমান (৭০), তানিয়া (২৮), জব্বার ঘরামী (৬০), রিমা (২০), মনোয়ারা বেগম (৫৫), ফরিদা বেগম (৫০), বশির (২০) ও আবদুল লতিফ খান (৯৫)। আহতদের একাংশ দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং বাকিরা পটুয়াখালী ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আহত ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুকুরটি অত্যন্ত হিংস্র ছিল। দৌড়ে এসে লাফিয়ে লাফিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে অনেককে রক্তাক্ত করে।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ সরদার বলেন, পবিপ্রবির আনসার সদস্য ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সহায়তায় কুকুরটিকে আটক করে পরে মেরে ফেলা হয়।
দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক হাজরা বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে স্থানীয়দের সহায়তায় জলাতঙ্কে আক্রান্ত কুকুরটিকে নিধন করা হয়েছে। তিনি গৃহপালিত কুকুরকে নিয়মিত টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেন।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা জি এম এনামুল হক বলেন, এখন পর্যন্ত ১৭ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। সরকারি পর্যায়ে জলাতঙ্কের টিকার সরবরাহ না থাকায় রোগীর স্বজনদের বাইরে থেকে টিকা সংগ্রহ করতে হচ্ছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও আনসার সদস্যদের মাধ্যমে কুকুরটিকে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন
