

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নোয়াখালীর হাতিয়া সুপার মার্কেটে গত ২ সেপ্টেম্বরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও হুমকি-ধামকির অভিযোগ তুলে প্রচারিত তথ্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অপপ্রচার’ দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হাতিয়া সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, হাতিয়া সুপার মার্কেটে কোনো ধরনের চাঁদা দাবি, ভাঙচুর কিংবা হুমকি-ধামকির ঘটনা ঘটেনি। একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ২ সেপ্টেম্বর হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাছিব মো. মঈন উদ্দিন ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হায়দার চৌধুরী সাজ্জাদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বোঝাবুঝির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সমর্থকদের সঙ্গে মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সদস্য জাফরের মধ্যে আকস্মিক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফেসর মোকাররম বিল্যাহ শাহাদাত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বোঝাতে গিয়ে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কিছুটা উচ্চবাক্য বিনিময় হয় বলে জানানো হয়।
ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, প্রফেসর মোকাররম বিল্যাহ শাহাদাত তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা না করলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর রূপ নিতে পারত। কিন্তু ঘটনার অংশবিশেষের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা কাটছাঁটের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘পরিবর্তনের হাতিয়া গড়তে চাই’, ‘আকরাম হোসেন’ ও ‘জনতার কণ্ঠস্বর’ নামীয় কয়েকটি ফেসবুক আইডি থেকে হাতিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মোকররম বিল্যাহ শাহাদাতের নেতৃত্বে একটি সন্ত্রাসী দল চাঁদা দাবি, মার্কেটে ভাঙচুর এবং সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে হুমকি দেওয়ার যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ ঘটনায় প্রফেসর মোকাররম বিল্যাহ শাহাদাতের সঙ্গে অপ্রীতিকর আচরণের জন্য সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। একইসঙ্গে হাছিব মো. মঈন উদ্দিন ও আমিরুল হায়দার চৌধুরী সাজ্জাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্যও ক্ষমা চাওয়া হয়।
এ ছাড়া ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মনে কষ্ট দেওয়ার জন্যও আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভবিষ্যতে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর আলাপ-আলোচনায় লিপ্ত হলে তার বিরুদ্ধে সুপার মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে হাতিয়া সুপার মার্কেট কমিটির সভাপতি আমজাদ সাফদার, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কমিটির সদস্য ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।


