বৃহস্পতিবার
১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গজারিয়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫২ পিএম
প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ আহত ব্যক্তি
expand
প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ আহত ব্যক্তি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন গুলিবিদ্ধসহ দুইজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের একজন গুয়াগাছিয়ায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য নিজের বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জামালপুর গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, জামালপুর গ্রামের মৃত আহমেদ দেওয়ানের ছেলে কাইয়ুম দেওয়ান (৪২) এবং তার আত্মীয় ও বাউশিয়া ইউনিয়নের পুড়াচক বাউশিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম প্রধানের ছেলে শরীফ প্রধান (৪১)। আহত কাইয়ুম দেওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত কাইয়ুম দেওয়ানের ছোট ভাই মাইনুদ্দিন দেওয়ান জানান, কাইয়ুম দেওয়ান নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা করেন। শুক্রবার একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। আসর নামাজ শেষে বাবার কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার পথে চিহ্নিত নৌ-ডাকাত নয়ন, পিয়াস ও শাহাদাতসহ তাদের সহযোগীরা কাইয়ুম দেওয়ানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

মাইনুদ্দিন দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, গুয়াগাছিয়ায় একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য তার বড় ভাই কাইয়ুম দেওয়ান বাড়ি ভাড়া দিয়েছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নৌ-ডাকাত চক্রের সদস্যরা এই হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই সন্ত্রাসীরা এলাকায় নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং এ ধরনের হামলার সাহস পাচ্ছে।

আহত শরীফ প্রধান অভিযোগ করে বলেন, হামলার সময় ঘটনাস্থলের কাছেই পুলিশ ক্যাম্প থাকলেও তারা এগিয়ে আসেনি। মসজিদের মাইকে সাহায্যের জন্য ঘোষণা দেওয়া হলেও ডাকাতদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কামরুন নাহার জানান, বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে আহত দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। কাইয়ুম দেওয়ানের পায়ে গুলি জাতীয় কিছুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়। অন্য আহত শরীফ প্রধানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নয়ন-পিয়াস গ্রুপের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন