

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাগুরা সদর উপজেলার আলমখালী বাজারে সরকারি নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে ডিএপি সার কেনার অভিযোগে ৮০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
এ ঘটনায় মেসার্স আলিম এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় আলমখালী বাজারে অভিযানটি পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মেহেরুনন্নাহার।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবীসহ কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আলমখালী বাজারের মেসার্স আলিম এন্টারপ্রাইজের সাব-ডিলার আলিম চট্টগ্রামের আফজাল এন্টারপ্রাইজ থেকে প্রতি বস্তা ডিএপি সার ২ হাজার ১০০ টাকা দরে কিনে আনেন। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা। ফলে ৮০ বস্তা সারের ক্রয়মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি দামে সার সংগ্রহ করে পরবর্তীতে আরও বেশি দামে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল—এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমখালী বাজারে গিয়ে ওই সারগুলো জব্দ করা হয়।
বর্তমানে সার সংকটের মধ্যে সরকারি মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে ডিএপি সার কেনার বিষয়টি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কৃষকদের আশঙ্কা, এভাবে অতিরিক্ত দামে সার কেনাবেচা ও মজুত করা হলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। এতে চাষাবাদের খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন কৃষকেরা।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজারে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী বলেন, “গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি, চট্টগ্রামের আফজাল এন্টারপ্রাইজ থেকে প্রতি বস্তা ২ হাজার ১০০ টাকা দরে ডিএপি সার আনা হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে ৮০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ মেহেরুনন্নাহার জানান, জব্দ করা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।


