শুক্রবার
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিবচরে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
শিবচরে বিক্ষোভ
expand
শিবচরে বিক্ষোভ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

তাঁদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিবচর থানায় ঘেরাও ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় জনগণ।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ‘শিবচরের সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে উঠান বৈঠকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের কয়েকজন আলোচিত নেতা–কর্মীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়।

অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের দাবি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা–কর্মীরা প্রকাশ্যে সক্রিয় হয়ে আসন্ন নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ অভিযোগে ‘সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিবচর থানার সামনে এসে শেষ হয়।

এ সময় অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে থানার সামনে অবস্থান নেন।

পরে বিক্ষোভকারীরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে প্রকাশ্যে তৎপর নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা–কর্মীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শাহাদাত হোসেন মিশন। তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি। ওসিকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যদি প্রকাশ্যে আসা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার করা না হয়, তাহলে পাঁচ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে থানা ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, “বিক্ষোভকারীরা নিজেদের জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁরা আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাঁরা বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় হয়েছেন, তাঁদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আমরা তাঁদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি এবং আশ্বস্ত করেছি—যাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও মামলা রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X