

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতারের বিরুদ্ধে। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল। এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ‘কুমারখালী পতিত স্বৈরাচারবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে আন্দোলনকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার বিষয়টি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এ ঘটনায় তারা নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় যাচাই-বাছাই এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণের দাবিও জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টা ১১ মিনিটের দিকে ইউএনও কার্যালয়ের প্রধান ফটক খুলে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়।
একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার অবরুদ্ধ অবস্থায় কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় দাঁড়িয়ে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি নিয়োগপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা জানাতে বলেন এবং অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করার আশ্বাস দেন।
পরে আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনও ফারজানা আখতারকে অপসারণের আলটিমেটাম দিয়ে দুপুর ১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর ত্যাগ করেন।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহানুর রহমান ও সদস্য সচিব আবু কাউসার অপুর নেতৃত্বে কর্মসূচিতে ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার বলেন, আন্দোলনকারীদের আমরা জানিয়েছি, আমাদের তালিকা থেকে কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তারা যেন আমাদের অভিযোগ জানান। আমরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করব।
কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনকারীদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কিছু আপত্তি ছিল। তারা তাদের আপত্তি নিয়ে এসেছিল এবং মিছিল করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে আমাদের যতটুকু করার, আমরা করেছি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


