

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আদালতের নির্দেশে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দাফনের ৬ মাস পর কবর থেকে সোহেল শেখ (৪৮) নামের এক যুবকের মরদেহ উত্তোলন করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কুমারখালী সহকারী কমিশনার ( ভূমি) নাভিদ সারওয়ারের উপস্থিতিতে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া শেখপাড়া কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।
নিহত সোহেল শেখ ওই এলাকার মৃত শাহাদত শেখের ছেলে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পিবিআই পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, কয়েক বছর আগে সোহেল তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। সেখানে ২০২৩ সালে হঠাৎ স্ট্রোক করে তিনি প্যারালাইজড রোগে আক্রান্ত হন। ঢাকায় কয়েকমাস চিকিৎসা শেষে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দেন সোহেল স্ত্রী ও সন্তান। পরে ২০২৫ সালের ৬ জুন সকালে তিনি মারা। ওইদিন স্বজন ও স্থানীয়রা তার মরদেহটি কালোয়া শেখপাড়া কবরস্থানে দাফন করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহেলের ছেলে সোহানুর রহমান বাদি হয়ে গেল বছর ১৬ জুলাই শারীরিক নির্যাতন ও বিষাক্ত ওষুধ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগে সোহেলের মা-বোনসহ ৫ জনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা তদন্তের স্বার্থে আদালতের আদেশে আজ কবর থেকে মরদেহটি উত্তোলন করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,কুষ্টিয়া পিবিআই পুলিশের পরিদর্শক ( নিরস্ত্র) মো. কামাল হোসেন, কয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর সদস্য শহিদুল ইসলাম, কবরস্থান কমিটির সভাপতি মোজাহারুল হক মিলন,নিহতের স্বজন ও কয়েকশত উৎসুক জনতা।
মন্তব্য করুন
