রবিবার
২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো রেকর্ড পরিমাণ টাকা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম আপডেট : ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
পাগলা মসজিদের ১৩টি দানের সিন্দুক খুলে এবার মিলেছে রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা । ছবি: সংগৃহীত
expand
পাগলা মসজিদের ১৩টি দানের সিন্দুক খুলে এবার মিলেছে রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা । ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খুলে এবার রেকর্ড ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মিলেছে বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টা থেকে দানবাক্স খুলে টাকা গণনা শুরু হয়। প্রায় সাড়ে ১৩ ঘণ্টা গণনা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘সকাল ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গণনা শেষে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কারও মিলেছে।’

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টাকা গণনার কাজে অংশ নেন আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া ও পাগলা মসজিদের এতিমখানাসহ দুটি মাদ্রাসার প্রায় সাড়ে ৩৫০ শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মসজিদ কমিটি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বর্তমানে ব্যাংকে মসজিদের প্রায় ১১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং অনলাইনে প্রাপ্ত দানের আরও প্রায় ২৫ লাখ টাকা জমা রয়েছে। এবার প্রাপ্ত অর্থও ব্যাংকে জমা রাখা হবে।

তিনি আরও জানান, মসজিদে দান করা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে সেগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হবে। এছাড়া মসজিদের তহবিলের মুনাফা থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করা হয়।

মসজিদ কমিটি সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ নিয়মিত পাগলা মসজিদে দান করতে আসেন। সাধারণত প্রতি চার থেকে ছয় মাস পর পর দানবাক্স খোলা হয়।

এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর দানবাক্স খুলে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। সে সময়ও বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার ও হীরা মিলেছিল।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
UPCOMING
Croatia VS Ghana
Scheduled
28 Jun, 03:00 AM
VS
World Cup