

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


খুলনার রূপসা উপজেলায় ইটভাটার ভেতরে ঢুকে যুবদলকর্মী ফখরুল শেখকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় বড় ধরনের অগ্রগতি পেয়েছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া কথিত মূল শুটার মোহাম্মদ ইব্রাহিম হাওলাদারকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব--৬।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে যশোর শহরতলির ঝুমঝুমপুর এলাকার সীতারামপুর গ্রামের একটি বাড়িতে ঝটিকা ও সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিমকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ১১টার দিকে র্যাব-৬-এর সদস্যরা সীতারামপুর এলাকা ঘিরে ফেলেন। পরে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিম হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যান। আকস্মিক এ অভিযানে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে যশোর র্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ.টি.এম. ফকলে রাব্বি প্রিন্স বলেন, “আমরা তাকে যশোর শহরের সীতারামপুর এলাকা থেকে আটক করেছি।” তিনি ইব্রাহিমকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টার দিকে খুলনার রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের কিসমত খুলনা গ্রামের ‘মেসার্স রূপসা ব্রিকস’ ইটভাটায় পাহারার দায়িত্বে ছিলেন ফখরুল শেখ। এ সময় দুর্বৃত্তরা ইটভাটায় ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ফখরুল নৈহাটি গ্রামের বাসিন্দা, রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রদলনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি দুই কন্যাসন্তানের জনক।
হত্যাকাণ্ডের পর র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, হত্যাকাণ্ডে সরাসরি গুলি চালানো শুটার ইব্রাহিম হাওলাদার যশোরে আত্মগোপনে রয়েছেন। পরে সীতারামপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ইব্রাহিমকে খুলনার রূপসা থানায় হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কারা জড়িত এবং হত্যার নেপথ্যে কী কারণ ছিল, তা তদন্তে বেরিয়ে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


