

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি মাসুক মিয়াকে (২২) মাধবপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার তারাসই এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মারা যাওয়ার পর মা একই গ্রামের নিল মিয়াকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং কিশোরীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন স্বামীর বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরে ভিকটিমের মায়ের দ্বিতীয় স্বামীর বোন কুলসুমা বেগম তাকে নিজের বাড়িতে গৃহকর্মের জন্য নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে, কুলসুমা বেগমের ছেলে মাসুক মিয়া ওই কিশোরীকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু কিশোরী সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানালে দুই পরিবারের মধ্যে বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত ১৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মাসুক মিয়া তাদের বসতঘরের একটি কক্ষে কিশোরীকে জোরপূর্বক আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন ভুক্তভোগী বিষয়টি তার চাচাকে জানালে তিনি বাদী হয়ে ১ মে বানিয়াচং থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২৫) এর ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর আসামিকে গ্রেফতারে মাঠে নামে র্যাব-৯। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২১ মে রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে র্যাব-৯ এর সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল হবিগঞ্জের মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক প্রধান আসামি মাসুক মিয়াকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত মাসুক মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার তারাসই গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ শুক্রবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৯টায় এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে বানিয়াচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।