

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে নবম জাতীয় পে-স্কেল। নতুন এ বেতন কাঠামোতে নিচের দুই স্তরের সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এ শ্রেণির কর্মীরা। তাই তাদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (২১ মে) নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, নবম পে স্কেলের আওতায় প্রশাসন ক্যাডার ছাড়াও শিক্ষক, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, মাঠ প্রশাসন ও বিচার বিভাগীয় কর্মচারীসহ সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। একই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্যও সমন্বিত নির্দেশনা আসতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমিয়ে আনতে বিশেষ সুপারিশ থাকতে পারে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ অনুযায়ী একবারে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে গেলে সরকারের অতিরিক্ত ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতো। তবে বর্তমানে চাকরিজীবীরা যে ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন, তা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে দেওয়ায় সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ কমে ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এই হিসাব মাথায় রেখেই আসন্ন বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
পে স্কেল সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, মূল্যস্ফীতির চাপ নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ছে। তাই নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার নতুন পে স্কেলে তুলনামূলক বেশি রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
