

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ও সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলের নেতাকর্মীরা। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রধানকে বরণ করে নিতে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে অপেক্ষা করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তারেক রহমান হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মাঠে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন। সেজন্য মাঠে চলছে মঞ্চ তৈরীর কাজ। কাজ সম্পন্ন করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শ্রমিকরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে মঞ্চ তৈরির কাজ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জিকে গউছ।
তিনি বলেন, “এই জনসভা কেবল একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটি হবে হবিগঞ্জের মানুষের অধিকার আদায়ের গণজাগরণ। আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে অভূতপূর্ব জোয়ার দেখা যাচ্ছে, তা প্রমাণ করে এদেশের মানুষ পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছে।”
এ সময় তার সাথে জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তুতির অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি নেতাকর্মীদের মঞ্চের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা সমর্থকদের যাতায়াত সুগম করার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।
সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতিমূলক বিভিন্ন কাজ হাতে নিয়েছে বিএনপির প্রত্যেক ইউনিট ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। জেলায় পৃথক পৃথক প্রস্ততি সভা ছাড়াও প্রত্যেকটি উপজেলায় সভা-সমাবেশ করছেন তারা।
নেতা-কর্মীদের দাবি, সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতি ঘটবে। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করবেন বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতারা।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভা সফল করতে আমরা সকল ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। ১৬টি ইউনিটের নেতাদের নিয়ে আমরা সভা করেছি। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় সভা ছাড়াও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রচারণা করেছি। সভা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের প্রত্যেকটি নেতা-কর্মী স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করবে।”
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ বলেন, “দীর্ঘদিন পর আমাদের নেতা তারেক রহমান হবিগঞ্জ আসছেন। সেটা যেমন আমাদের আনন্দের, তেমনি গর্বের। আমরা সমাবেশ সফল করতে কাজ করছি। ১৮টি ইউনিটের নেতাদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা করেছি। সমাবেশে আমাদের যুবদলের ২০/২৫ হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করবে।”
জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মাঝে আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব দেখতে পাই। তাঁর মাঝে সব ধরনের গুণাবলী রয়েছে। আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সকল নেতা-কর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছেন তিনি। আগামী ২২ জানুয়ারি লাখো মানুষের এই সমাবেশ জেলাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবে।”
হবিগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির জি কে গউছ বলেন, “প্রশাসন ও জনগণের সহযোগিতায় একটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই সভা সম্পন্ন করতে বিএনপি বদ্ধপরিকর। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। আমরা আশা করছি সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাখী রানী দাস বলেন, “তারেক রহমানের আগমন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে কাজ করবে প্রশাসন।”
মন্তব্য করুন