

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গোপালগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর নাফিস আশরাফ আবিদ (২১) নামে ঢাকার গ্রীন ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শেষ বর্ষের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোষেরচর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত আশরাফুল আলমের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নাফিস কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় তিনি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বাসায় রেখে যান। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌকার মাধ্যমে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি নাফিস আশরাফ আবিদের বলে শনাক্ত করেন।
নিহতের মামা আনিসুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমার ভাগ্নে খুবই ভদ্র, ধার্মিক ও নামাজী ছেলে। সে ঢাকা থেকে প্রায় ৪-৫ দিন আগে গোপালগঞ্জে আসে। বুধবার রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে মোবাইল ফোন বাসায় রেখে বাইরে চলে যায়। এরপর থেকে আমরা আর কোনো খোঁজ পাইনি। খোঁজাখুঁজির পর গতকাল থানায় জিডি করি। আজ সন্ধ্যায় তার মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে আমরা শনাক্ত করি। আমরা তার মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।”
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, “গোবরা চৌধুরীপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।