

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ছে না কি কমছে তা জানা যাবে রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে। কিন্তু সেই ঘোষণার আগেই গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আগাম দাম বাড়িয়ে দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা লুটতে শুরু করেছেন বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। ব্যবসায়ীদের এমন অনৈতিক কান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। এর জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং না হওয়াকে দায়ী করছেন তারা।
জানা গেছে, ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন জানুয়ারি মাসে দাম বাড়বে না কি কমবে- সে নির্দেশনা আসবে রোববার বিকেলে। কিন্তু এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করেন পৌরসভার এমন সব পাইকারি ও খুচরা দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দোকানের সামনে রয়েছে সারি সারি গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার। পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্বেও শীতকালে ১২ কেজির সিলেন্ডারের চাহিদা বেশি এবং দামবৃদ্ধি পেতে পারে এই ধারণাকে পুঁজি করে ১ জানুয়ারি থেকেই প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ১৪০-১৬০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। ফলে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।
ভোক্তারা বলছেন, সরকার যখন যে দাম নির্ধারণ করে দেন তার চেয়েও ১০-২০টাকা বেশি দরে কিনে আসছি সিলিন্ডার। কিন্তু সরকার এখনো জানুয়ারি মাসে কী দাম নির্ধারণ করবেন এবং সেই দাম আদৌ বাড়বে না কি কমবে, সেটা এখনো অজানা। কিন্তু তার আগে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) থেকেই ব্যবসায়ীরা এই অতিরিক্ত টাকা জুড়ে দেওয়ায় ব্যয় বাড়ছে আমাদের। অথচ এই অতিরিক্ত ১৪০-১৬০টাকা আমরা অন্য নিত্যপণ্য কিনতে পারতাম। দাম বৃদ্ধির আগেই ব্যবসায়ীদের দাম বৃদ্ধি করার এই যে প্রবণতা এটা 'তুঘলকি কান্ড' ছাড়া আর কিছু নয়। আর এমনটা করছেন ব্যবসায়ীরা সুন্দরগঞ্জে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয় না বলে। এ জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার দাবি জানান তারা।
এদিকে, দামবৃদ্ধির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১ জানুয়ারি থেকে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৪০০ টাকা। যমুনার দাম আরো একটু বেশি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যবসায়ী বলছেন, জীবন সাহার গোডাউনে গ্যাস ভর্তি। তবুও বলছে, গ্যাস নাই। তো আমরা কী করতে পারি?
নতুন করে দাম নির্ধারণের আগেই ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত দামবৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পরেশ চন্দ্র বর্মণ বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা নিজেরা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে অভিযান চালানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
মন্তব্য করুন
