

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের শাকপালদিয়া এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
যৌথ অভিযানের সময় আটককৃতদের কাছ থেকে একটি সিঙ্গেল ব্যারেল পাইপ গান, একটি ১২ গেজ কার্তুজ, ১০টি ঢাল, ৭টি বর্শা, ৮টি কাস্তে, ৬টি রামদা, ৫টি ছোট ছুরি, ৪ কেজি গাঁজা, ১০২ পিস ইয়াবা, ৬টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং একটি বাটন ফোন উদ্ধার করা হয়।
সেনা সূত্র জানায়, চলতি জানুয়ারি মাসে নগরকান্দা উপজেলায় একাধিক মরদেহ উদ্ধার ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তবে নিয়মিত যৌথ অভিযান এবং মাদক ও অবৈধ অস্ত্র কারবার দমনের ফলে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, শাকপালদিয়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী ও মাদকচক্র অস্ত্রসহ অবস্থান করছে এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অশান্তি সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে নগরকান্দা আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও স্থানীয় পুলিশের সমন্বয়ে দ্রুত যৌথ অভিযান চালানো হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, মো. সহিদ মোল্লা (৬৫), মো. শহিদ মোল্লা (৬৬), সিয়াম শেখ (১৫), মো. পারভেজ ফকির (২৫), মো. নাজমুল (২৩), আয়মান আশরাফ (১৫), মো. ইয়াসিন মোল্লা (১৬), মো. আজিম মোল্লা (২৭), মো. শাজাহান শেখ (৩৬), মো. রবিউল মোল্লা (৩০), মো. ইদ্রিস মোল্লা (৪২), আলেয়া বেগম (৩৮), তামান্না আক্তার (২০), মনিরা আক্তার (৩৫), রুনা আক্তার (২২), নাদিয়া বেগম (৩২), নূরজাহান (৬০) ও জয়নব বেগম (৬০)।
আটককৃতরা সকলেই শাকপালদিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের এবং উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নগরকান্দা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্র আরও জানায়, বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাধারণ নাগরিকদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তথ্য দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন