

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সংযোগ কেয়াকাটা খালের ওপর নির্মিত ৪৩ মিটার দীর্ঘ সেতুর একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯ টায় সেতুটির একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে। এতে দুই ইউনিয়নের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, রোববার থেকে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে খালের পানির প্রবল স্রোত এবং দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে সেতুটির একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এতে লেমশীখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাজিরপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটিতে ফাটল ও দুর্বলতা দেখা দিলেও বিষয়টি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে টানা বর্ষণের মুখে সেতুটি ধসে পড়ে।
লেমশীখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন, সংস্কারের অভাবে সেতুটি অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.আবু জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০০২ সালের দিকে সেতুটি নির্মাণ করে। দুই বছর আগে এটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। নতুন সেতু নির্মাণের জন্য প্রায় তিন কোটি টাকার বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমান বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে আগে থেকেই জরাজীর্ণ সেতুটি ধসে পড়েছে। নতুন সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।