মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ অনিয়ম

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
এনপিবি গ্রাফিক্স
expand
এনপিবি গ্রাফিক্স

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। নিয়োগে অনিয়ম ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক কর্মীরা। কেউ প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলছেন, কেউ স্থানীয় নেতাদের সুপারিশের কথা বলছেন। আবার কেউ প্রকাশিত তালিকা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

গত দুই দিন ধরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে এমন অভিযোগ দেখা গেছে। এসব পোস্টে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক বিবেচনা ও স্থানীয় নেতাদের সুপারিশের বিষয়টি সামনে এসেছে।

ইস্রাফিল হোসেন নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে নাঙ্গলকোটের একটি ইউনিয়নের ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই পোস্টে প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন তুলে বলা হয়, স্থানীয় নেতারা যেভাবে সুপারিশ করেছেন, সেভাবেই যদি নিয়োগ হয়ে থাকে, তাহলে কোন ভিত্তিতে এসব ব্যক্তিকে সুপারিশ করা হয়েছে। এমনকি সুপারিশের পেছনে আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়।

পরে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের তালিকায় কয়েকজনকে চিহ্নিত করে তাঁরা ছাত্রলীগ ও জামায়াতের নেতাকর্মী বলে দাবি করে আরেকটি পোস্ট দেওয়া হয়। এরপর পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সেটি ২৪৯ বার শেয়ার হয়েছে বলে দেখা গেছে।

পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে জেএম সায়েম নামের একজন লিখেছেন, স্থানীয় নেতারা কি আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের জন্য সুপারিশ করেছেন..!? এ মন্তব্য ঘিরেও অন্যদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

এদিকে আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. মামুনুর রশীদ ফেসবুকে প্রকাশিত তালিকা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে মোকরা ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর ও গোমকট ওয়ার্ডে কোনো কর্মীকে নিয়োগ না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন স্থানীয় এক ব্যক্তি।

তবে এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগের প্রমাণ হিসেবে মানতে নারাজ উপজেলা প্রশাসন। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু রায়হান বলেন, কার গায়ে আওয়ামী লীগ, কার গায়ে বিএনপি লেখা নেই। আমরা স্বচ্ছভাবে নিয়োগ দিয়েছি। তারপরও যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিয়োগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তদন্ত হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন