

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে হয়েছে। এ সময় জামায়াতের এক ইউনিয়ন আমিরের ভাই হাফিজুর রহমান (৫০) মারা গেছেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর কাকরাইলে একটি হাসপাতালে নেওয়ার পথে হাফিজুরের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির ছোট ভাই বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমানকে (৪৫) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাত ২টার দিকে জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফ জোয়াদ্দার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
আরিফ জোয়াদ্দার বলেন, হাসাদার ঘটনায় বাঁকা ইউনিয়ন আমির মফিজুর রহমানের বড় ভাই ও ঢাকা জুয়েলার্সের মালিক হাফিজুর রহমান ভাই মারা গেছেন। মফিজুর রহমানের অবস্থা সংকটাপন্ন। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, হাফিজুরের লাশ নিয়ে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আমির রুহুল আমিন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াতের সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
রাতে হাসাদাহ ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হামলায় আহত জামায়াতের তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের ঢাকায় নেওয়া হয়। দলীয় সিদ্ধান্তের পর মামলা করা হবে।’
এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন জীবননগর থানা পুলিশের একটি টিম। জীবননগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, হাসাদহে জামায়াত ও বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল আছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে পরিবেশ এখন অনেকটা শান্ত আছে।
মন্তব্য করুন

