সোমবার
০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী চিকিৎসককে ‘কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন’ হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ এএম
সংগৃহীত ছবি
expand
সংগৃহীত ছবি

বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলম রায়হানকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারী চিকিৎসককে অশালীন ইঙ্গিত ও কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার (২৩ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এক আদেশে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বিভাগীয় মামলায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত সুযোগ পেলেই কোনো কারণ ছাড়াই অধীনস্ত নারী চিকৎসককে ডাকতেন রুমে। সেইসঙ্গে অশালীন ইঙ্গিত ও কুপ্রস্তাব দিতেন ভুক্তোভোগীকে।

ভুক্তভোগী ওই নারী চিকিৎসক হাসপাতালটির আবাসিক সার্জন হিসেবে কর্মরতন। অভিযোগে বলা হয়, গত জুন মাসে এই হাসপাতালে যোগ দেন ওই নারী চিকিৎসক। তিনি যোগদানের পর থেকে সুযোগ পেলেই কারণ ছাড়াই তাকে অফিসকক্ষে ডাকতেন ডা. রেজওয়ানুর আলম রায়হান। সরাসরি অনৈতিক প্রস্তাব ও অশালীন ইঙ্গিতও করতেন তিনি।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই সকালে তত্ত্বাবধায়ক ওই নারী চিকিৎসককে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে অফিসকক্ষে ডেকে তার ডরমেটরির কক্ষে একসঙ্গে সময় কাটানোর অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হয়ে তিনি কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন। পরদিন হাসপাতালে রাউন্ড চলাকালে স্টাফ ও নার্সদের সামনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওই নারী চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ভুক্তভোগী নিজেকে সম্মানহানির শিকার ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করে বিষয়টির তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান।

এদিকে অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে ডা. রেজওয়ানুর আলম রায়হান বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বাজে কথা। একজন মানুষের সঙ্গে কাজ করতে গেলে বা কর্মক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে শোকজ বা জবাবদিহি চাইলে তা যদি কুপ্রস্তাব হয়ে যায়, তাহলে তো এভাবে লেডি অফিসারদের নিয়ে কাজ চালানো সম্ভব নয়। সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই না করেই সরাসরি বিভাগীয় প্রক্রিয়ায় চলে গেছে, যা মোটেও যুক্তিসঙ্গত নয়।

অভিযোগকে একপাক্ষিক উল্লেখ করে তিনি জানান, ওনার (নারী চিকিৎসক) কথাকেই যদি চূড়ান্ত ধরে নেওয়া হয় তবে তো হবে না। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে ডা. রেজওয়ানুর আলম বিরক্তি প্রকাশ করেন।

এদিকে একাধিকবার চেষ্টা করেও ভুক্তভোগীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন