

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নিস্তব্ধ গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তেই বদলে যায় আমতলীর গোছখালী বাঁধঘাট এলাকার চিত্র।
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে আরেকটি আংশিক পুড়ে গেছে।
এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। আকস্মিক এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী বাঁধঘাট এলাকায়।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে চারটি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো- মোশারফ হোসেনের ছাত্র বন্ধু লাইব্রেরি, খোকন হাওলাদার ও ইদ্রিস মোল্লার মোদি ও মনোহারি দোকান আবু তাহেরের একটি ফার্মেসি ও যুগল বাবুর দোকান।
ছাত্র বন্ধু লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মোশারফ হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই। ভোর রাতে খবর পাই দোকানে আগুন লেগেছে। এক টাকার মালামালও বের করতে পারিনি। সব পুড়ে শেষ। আমি এখন নিঃস্ব।
গুলিশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চারটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং একটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. হানিফ বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, গভীর রাতে আগুন লাগার বিষয়টি জেনেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন
