

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৪ জনই মুসলিম। অর্থাৎ বিদ্যালয়টির মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৬ শতাংশ মুসলিম।
তবে এত সংখ্যক মুসলিম শিক্ষার্থী থাকলেও বিদ্যালয়টিতে নেই কোনো মুসলিম শিক্ষক বা ধর্মীয় শিক্ষক।
স্থানীয়দের দাবি, গত দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়টিতে কোনো মুসলিম শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৫ জন শিক্ষক রয়েছে এই বিদ্যালয়ে । কিন্তু সবাই উপজাতি তথা মারমা সম্প্রদায়ের শিক্ষক। কোন মুসলিম শিক্ষক এই বিদ্যালয়ে নাই দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে। তবে মাঝে মধ্যে প্রষণে দুয়েক মাসের জন্য আসলেও আবার চলে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুইচিং মারমা বলেন, বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে বেশ কয়েকবার জানিয়েছি এবং আমরা নিজেরাও বিব্রত। ৫৬ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টার একটা স্থায়ী সমাধান কর্তৃপক্ষের কাছে আমরাও চাই।
বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের ইসলাম শিক্ষার কোন ক্লাস হয় না। নিজের থেকে পড়ে বা বাড়িতে পড়ে শেষ করে পরীক্ষা দিতে হয়। ধর্মীয় শিক্ষক না থাকায় অনেক কিছু আমরা বুঝতেও পারিনা।
স্থানীয় বাসিন্দা ফরহাদ আহমেদ জানায়, ৫৬ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে দেড়যুগ ধরে মুসলিশ শিক্ষক না থাকার বিষয়টা দুঃখ জনক। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে এর একটা বিহীত ব্যবস্থা চাই।
লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, এরকম আরও কয়েকটা বিদ্যালয় রয়েছে। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি খুব শিঘ্রই একটা সুরাহা হবে।


