

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


র্যাব ও সেনাবাহিনীর ভূয়া মেজর এবং কর্নেলসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতরণা ও এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পারভেজ ব্যাপারী (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে মোংলা পৌর শহরের পৌর মার্কেটের বিপরীতের বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ খুলনা সদরের বয়রা ২৩ নম্বর রোডের বাসিন্দা সাখাওয়াত ব্যাপারীর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন পারভেজ। এই ভূয়া পরিচয়ের আড়ালে পিরোজপুরের এক স্কুল পড়ুয়া কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে ভূয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে তাকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন এই পারভেজ। এমনকি বিভিন্ন স্থানে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তারা রাত্রিযাপনও করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তীতে পারভেজের প্রতারণার বিষয়টি ওই কিশোরীর পরিবারের কাছে ফাঁস হয়ে গেলে ভুক্তভোগী মা নিলুফা বেগম বাদী হয়ে পিরোজপুরের কাউখালী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর পারভেজ খুলনা থেকে পালিয়ে মোংলায় এসে আত্মগোপন করেন। মামলা সূত্রধরে মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে কাউখালী থানার এসআই মহিউদ্দিন, এএসআই খায়রুল হাসানসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মোংলা থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে আটক করে।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানা পুলিশ মোংলা থানা পুলিশের সহায়তায় সোমবার দুপুরে মোংলা পৌর শহরের বনফুল মিষ্টির দোকানের সামনে থেকে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের পরই তাকে পিরোজপুরে নিয়ে রওয়ানা হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। ধর্ষণ মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে বহু নারীর সাথে এমন প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সব কিছু নিয়ে তদন্ত চলছে, এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


