

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের বাদাম, ভুট্টা, মরিচসহ বিভিন্ন ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
শুক্রবার (১৯ জুন) পর্যন্ত তিস্তা নদীতে তেমন পানি না থাকলেও শনিবার (২০ জুন) ভোর থেকে পানি বাড়তে শুরু করে। দুপুরের মধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তর ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদীর পানি আরও বাড়তে পারে।
আকস্মিক পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের কৃষকদের উদ্বেগ বেড়েছে।
বিশেষ করে বাদাম, ভুট্টা, মরিচসহ বিভিন্ন সবজিক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক কৃষক আবাদি জমি ও ফসল রক্ষায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
তিস্তা চরের এক বলেন, গত শুক্রবারও নদীতে পানি ছিল না। শনিবার সকাল থেকে হু হু করে পানি বাড়ছে। হঠাৎ পানি বাড়ায় নিজের ক্ষেতে আবাদ করা বাদাম তুলতে এসেছি। তবে সব বাদাম তুলতে পারিনি। তিস্তা নদীর এখন যে অবস্থা, হঠাৎ করেই পানি বাড়ে। বন্যার আগাম সতর্কবার্তা আমরা সময়মতো পাই না। সতর্কবার্তা না পাওয়ার কারণে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিপদে পড়ি।
রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, তিস্তার চরের অধিকাংশ বাদামক্ষেত ইতোমধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে। তবে ধানের কিছু বীজতলা রয়েছে। সেখানে দুই থেকে তিনদিন পানি থাকলে কিছু ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তর এবং ভারতের মেঘালয়, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় তিস্তার পানি বেড়েছে। ফলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
