

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সুন্দরবনের মোংলার জয়মণিরঘোল এলাকায় নবস্থাপিত কোস্টগার্ড স্টেশন হারবারিয়ায় সাম্প্রতিক হামলা ও ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক। এই হামলাকে অপরাধ দমনের পথ বাধাগ্রস্ত করার একটি অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে উপকূলীয় এলাকার জনগণকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান কোস্টগার্ড মহাপরিচালক।
কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, সুন্দরবন অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও বনদস্যুতা দমনে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে বর্তমানে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতার কারণে দস্যুচক্রগুলো ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন ও তার সহযোগীরা কোস্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মোংলার জয়মণিরঘোল এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন হারবারিয়া স্থাপন করায় অপরাধীদের রসদ, অস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সম্প্রতি একদল দুর্বৃত্ত এই কোস্টগার্ড স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুর চালায়।
তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত একটি বাহিনীর স্থাপনায় হামলা কেবল সরকারি সম্পদের ক্ষতিই নয়, বরং সুন্দরবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করার চেষ্টা। এই ঘটনার পরপরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।