

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজবাড়ীতে প্রতি মণ ধানের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণ, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরকারি ধান ক্রয়, ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রয়কেন্দ্র চালু, হাটবাজারে খাজনার তালিকা প্রদর্শন, বাজারে ধলতা নেওয়া বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং শস্য বীমা চালুসহ আট দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের লাড়িবাড়ী বাজারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কালুখালী ও পাংশা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খাঁ, পাংশা উপজেলার পুঁইজোর গ্রামের কৃষক জাকির মিয়া, কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের কৃষক মনোয়ার ও মাসেম বিশ্বাস প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, কৃষকরা রৌদ্রে পুড়ে ও ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে ফসল উৎপাদন করেন। কিন্তু সেই ফসল বাজারে নিয়ে গেলে তারা ন্যায্য দাম পান না। বর্তমানে বোরো মৌসুমে বাজারে প্রতি মণ ধান ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অথচ উৎপাদন খরচই এর চেয়ে বেশি।
তারা অভিযোগ করেন, সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষকরা সুযোগ পান না। রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা সেখানে ধান বিক্রি করেন। তাই কৃষকদের বাঁচাতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকেই সরকারকে ধান কিনতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের শীর্ষ পেঁয়াজ উৎপাদনকারী জেলার মধ্যে রাজবাড়ী অন্যতম। কিন্তু বর্তমানে পেঁয়াজ চাষিরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন। পেঁয়াজ তোলার এক মাসের মধ্যেই পচন ধরছে এবং বাজারেও ন্যায্য দামে বিক্রি করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন বাজারে ‘ধলতা’র অজুহাতে পেঁয়াজ কেনাবেচা বন্ধ রাখা হচ্ছে।
তাদের দাবি, সরকার কৃষিপণ্যে ধলতা বা শুকনা নেওয়া বন্ধের ঘোষণা দিলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বাজার প্রদক্ষিণ করে। এতে প্রায় দুই শতাধিক কৃষক অংশগ্রহণ করেন।