

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মানিকগঞ্জের শিবালয়ে গ্রাম্য সালিশে প্রকাশ্যে অপদস্থ এবং মারধর করার অভিযোগে এক তরুণীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার উত্তর কাশাদহ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত নাজমা আক্তার (২৫) শিবালয় মডেল ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কাশাদহ এলাকার বাসিন্দা খালেক পেয়াদারের মেয়ে। তিনি একটি তালা তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। স্থানীয়রা জানান, নাজমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগ তুলে ১৭ এপ্রিল রাতে তার বাবার বাড়িতে স্থানীয় মাতব্বর আজিজ খানের নেতৃত্বে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সালিশি বৈঠকে নাজমা এবং এক যুবককে ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মারধর করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। পরদিন সকালে নাজমা কর্মস্থলে গেলেও বিকেলে বাড়ি ফিরে আসেন এবং সন্ধ্যার পর নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেন। নাজমার স্বজনদের দাবি, সালিশের নামে প্রকাশ্যে অপমান ও শারীরিক নির্যাতনের মানসিক চাপেই তিনি আত্মহত্যার মত এমন চরম সিদ্ধান্ত নেন।
নাজমার মা নাসিমা বেগম জানান, সবার সামনে তার মেয়েকে মারধর করায় এ অপমান সে সহ্য করতে পারেনি। আমি এর বিচার চাই। এ ব্যাপারে শিবালয় থানার ওসি (তদন্ত) মানোবেন্দ্র বালো বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন